Bangla24x7 Desk: Karma Tirtha Scheme : রাজ্যের যুব সমাজের বড় অংশ খুঁজে পেয়েছেন নিজেদের কর্মসংস্থানের দিশা। পশ্চিমবঙ্গ সরকার উন্নয়নের স্বার্থে মাইক্রো ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ ও বস্ত্র দপ্তরের অধীনে রাজ্যের ১৬ টি জেলায় ৫৪ টি কর্মতীর্থের সূচনা করেছে। কর্মতীর্থ হল রাজ্য সরকারের একটি প্রধান কর্মসূচি যার মূল লক্ষ্য হল কারিগর তাঁতী ও ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া ও দরিদ্র স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের জন্য একটি আদর্শ পরিবেশ প্রদান করা। শুধু পরিবেশ প্রদান করেই থেমে থাকা নয় সারা বছর ধরে উপভোক্তা , ক্রেতা এবং রপ্তানিকারকদের সাথে সেই সমস্ত মানুষদের যোগাযোগ স্থাপন করাও কর্মতীর্থের কাজ। কর্মতীর্থ এলাকার অর্থনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে, যেখানে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।
কর্মতীর্থের প্রধান কার্যকলাপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বাঁশ , সাবাই ঘাসের পণ্য , পাটের বৈচিত্র্যময় পণ্য , বাঁশের কাঠের কারুশিল্প , পাট বেত বাঁশ সহ ডোকরা , বেল এবং পিতলের পণ্য , বৈচিত্র্যময় টেরাকোটার পণ্য , বাঁশের পাট শিল্প , অন্য ধরনের হস্তশিল্প , বেতের আসবাবপত্র নির্মাণ সহ হস্ত চালিত তাঁতের তৈরি রকমারি শিল্পকর্ম। মূলত বাঁকুড়া দক্ষিণ দিনাজপুর , ঝাড়গ্রাম সহ জলপাইগুড়ি , পুরুলিয়া , পূর্ব মেদিনীপুর এবং উত্তর দিনাজপুর , মালদহ , পশ্চিম মেদিনীপুরে কর্মতীর্থ রয়েছে। কোথাও কোথাও কর্মতীর্থ শুরু হবে। কর্মটি তো প্রকল্পের আবেদন করতে হলে আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। কর্মতীর্থ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা মহিলা কারিগরসহ পিছিয়ে পড়া ও দরিদ্র শ্রেণীর আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের আবেদনের জন্য বিবেচিত হবেন। ১৮ বছরের উর্ধ্ব হলেই আপনি এই প্রকল্প আবেদন করতে পারবেন তবে এই প্রকল্প আবেদন করার জন্য কোন শিক্ষকতা যোগ্যতা থাকার প্রয়োজন নেই। শুধু স্বাক্ষর জ্ঞান থাকলেই চলবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পে আবেদন করতে হলে আবেদনকারীর নাম এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের ব্যাঙ্কে অবশ্যই নথিভুক্ত থাকতে হবে।
Karma Tirtha Scheme : রাজ্যের যুব সমাজের বড় অংশ খুঁজে পেয়েছেন নিজেদের কর্মসংস্থানের দিশা
Read More: Akanksha Housing Scheme : চাকরিরত সরকারি কর্মচারীদের আবাসন দিচ্ছে রাজ্য সরকার
২০১৪ সালে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে এই প্রকল্পের মাধ্যমে যুব সমাজের একটা বড় অংশ নিজেদের কর্মসংস্থানে দিশা খুঁজে পেয়েছেন। কর্মতীর্থের প্রকল্প চালু করার উদ্দেশ্য কি ? রাজ্যের প্রতিটি ঘরে ঘরে বেকার যুবক যুবতীকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া , স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত আবেদনকারীদের এই প্রকল্পের মাধ্যমে অফিস ঘর দেওয়া। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দোকান ঘর অথবা অফিস ঘর দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বাজার ক্ষেত্র তৈরি করা হয় যেখানে তারা আঞ্চলিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারেন। ব্যবসার কিভাবে উন্নতি সাধন করা যায় সেই পদ্ধতি এই প্রকল্পের মাধ্যমে শেখানো হয়।
প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে :কর্মতীর্থ
