Bangla24x7 Desk: Medical Expenses Scheme: নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য রাজ্য পর্যায়ের চিকিৎসা পরিষেবা। এই প্রকল্প মূলত নির্মাণ বা সন্নিহিত খাতে কাজ করা শ্রমিক (যেমন ভবন ও অন্যান্য নির্মাণ শ্রমিক কল্যাণ বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত) ও তাদের ধরনের বড় অসুস্থতা ও সার্জারি-যাচাইয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করার জন্য। সাধারনত সংশ্লিষ্ট বোর্ডের নির্ধারিত অনুদান ফর্ম/আবেদন ফরম পূরণ করতে হয়। প্রধান অসুখের মধ্য দিয়ে সাধারণ সার্জা*রি ছাড়াও হার্ট, কিডনি, মস্তিষ্ক ইত্যাদি চিকিৎসা বিষয়ক অন্তর্ভুক্ততা থাকতে পারে। নিজ রাজ্যের নির্মাণ শ্রমিক কল্যাণ বোর্ড বা সমাজকল্যাণ দপ্তরের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ নির্দেশিকা দেখে নিন, কারণ রাজ্য বরাবর নিয়ম ভিন্ন।
কোনো শ্রমিক যদি প্রকল্প যোগ্য বড় অসু*স্থতায় আক্রা*ন্ত হয় বা সার্জারি করাতে হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট বোর্ড থেকে আর্থিক অনুদান বা ভর্তুকি পাওয়া যায়। যেমন – ওড়িশার নির্মাণ শ্রমিক বোর্ডের ক্ষেত্রে, প্রধান অসু*খের চিকিৎসার জন্য ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হয়। প্রতি বছর সাধারণ চিকিৎসার জন্য ২০ হাজার টাকা এবং বড় সার্জারীর ক্ষেত্রে প্রতিবারে/ঘটনায় ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হতে পারে। সাধারণত ওই রাজ্যের বোর্ডে রেজিস্ট্রেশন থাকা থাকতে হবে (যেমন নির্মাণ শ্রমিক বোর্ডে) এবং নিয়মিত সদস্য হতে হবে। রোগটিকে প্রধান অসুখ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে বোর্ডের নীতিমালার মধ্যে। বয়স সীমা, কাজ করার মেয়াদ, রেসিডেন্সি ইত্যাদি শর্ত থাকতে পারে। সাধারনত সংশ্লিষ্ট বোর্ডের নির্ধারিত অনুদান ফর্ম/আবেদন ফরম পূরণ করতে হয়। চিকিৎসার সার্জারি ও মেডিক্যাল ইনভয়েস, রিপোর্ট, রেফারেন্স প্রয়োজন হয়।
Medical Expenses Scheme: নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য রাজ্য পর্যায়ের চিকিৎসা পরিষেবা
Read More: Amar Dhan Amar Chatal : কৃষিমূলক উদ্যোগের লক্ষ্য গ্রামীণ কৃষকদের ফসল সংরক্ষণ
যেমন পশ্চিমবঙ্গে “ফর্ম ১১” নামের ফর্ম উল্লেখ আছে। বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট দফতর আবেদন যাচাই করে সিদ্ধান্ত দেয়। এমনকি এই প্রকল্প থাকলেও সব খরচ পুরোপুরি কভার হয় না; কিছু ক্ষেত্রে সহায়তার সীমাবদ্ধতা থাকে।আবেদন করার সময় যথাযথ কাগজপত্র সঙ্গে নিতে হবে — রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, শ্রমিক আইডি, হাসপাতালে খরচের রশিদ-রিপোর্ট ইত্যাদি। সাধারনত সংশ্লিষ্ট বোর্ডের নির্ধারিত অনুদান ফর্ম/আবেদন ফরম পূরণ করতে হয়। নিজ রাজ্যের নির্মাণ শ্রমিক কল্যাণ বোর্ড বা সমাজকল্যাণ দপ্তরের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ নির্দেশিকা দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ রাজ্যবরাবর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।
