Monday, April 20, 2026
Homeঅন্যান্যMaa Scheme: মাত্র ৫ টাকায় দরিদ্র মানুষের পরিতৃপ্তি

Maa Scheme: মাত্র ৫ টাকায় দরিদ্র মানুষের পরিতৃপ্তি

Bangla24x7 Desk: Maa Scheme: মাত্র ৫ টাকায় দরিদ্র মানুষের পরিতৃপ্তি। মা প্রকল্প -পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই প্রকল্পটি দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য সস্তায় পুষ্টিকর ও গরম খাবার সরবরাহ করা। এটি শাবল্যহীন অংশের লোকেদের খাদ্য নিরাপত্তায় সহায়তা করার জন্য। খাবারে রয়েছে ভাত, ডাল, সবজি এবং ডিম কারি – অর্থাৎ এটা পুষ্টিকর, শুধু রুটি বা রূপায়ী স্ন্যাক নয়। “মা ক্যান্টিন” গুলোকে নগর এলাকার স্থানীয় পৌর প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত করা হয়। একটি থালার দাম মাত্র ৫ টাকা – উপকারভোগীরা খাবারের জন্য এই খুব কম মূল্য পরিশোধ করে।

রাজ্য সরকার প্রতিটি থালায় প্রায় ১০ টাকা সাবসিডি দান করে, অর্থাৎ প্রকল্পে সরকারের বড় অংশের অর্থায়ন রয়েছে। এই মা প্রকল্পকে পশ্চিমবঙ্গ-এর ৭টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এবং পৌরসভার মধ্যে চালু করা হয়েছিল। পরে সকল পৌর এলাকায় মা কর্মসূচি সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। মা ক্যান্টিন প্রকল্পটি ১৫ই ফেব্রুয়ারি শুরু করা হয়েছিল। যেহেতু এটি সরকারী সাবসিডি স্কিম, তাই পরিচালনা, অর্থায়ন এবং দির্ঘস্থায়ীতা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে। গত রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ২২ টি ক্যান্টিন ইতিমধ্যেই কার্যকর আছে। খাবারে রয়েছে ভাত, ডাল, সবজি এবং ডিম কারি – অর্থাৎ এটা পুষ্টিকর, শুধু রুটি বা রূপায়ী স্ন্যাক নয়। প্রণোদনা এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে পুষ্টি এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানগুলি উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায়।

Maa Scheme: মাত্র ৫ টাকায় দরিদ্র মানুষের পরিতৃপ্তি

Read More: PM Kisan Update : কীভাবে সুবিধাভোগীর স্ট্যাটাস পরীক্ষা করবেন?

সাবসিডিতে অতিরিক্ত ব্যয় বহন করছে রাজ্য সরকার, কারণ উপকারভোগীর অংশ মাত্র ৫ টাকা, কিন্তু প্রকৃত খরচ তার থেকে অনেক বেশি। মা ক্যান্টিন প্রকল্পটি ১৫ই ফেব্রুয়ারি শুরু করা হয়েছিল। যেহেতু এটি সরকারী সাবসিডি স্কিম, তাই পরিচালনা, অর্থায়ন এবং দির্ঘস্থায়ীতা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে। কিছু রিপোর্ট বলেছে যে প্রকল্পকে পুরোপুরি চালু ও পরিচালিত করার ক্ষেত্রে নগর সীমানার সব জায়গায় সমতা নেই। খাবারে রয়েছে ভাত, ডাল, সবজি এবং ডিম কারি – অর্থাৎ এটা পুষ্টিকর, শুধু রুটি বা রূপায়ী স্ন্যাক নয়। প্রণোদনা এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে পুষ্টি এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানগুলি উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায়। এছাড়া, “ফ্যাক্ট চেক” রিপোর্ট আছে যা বলে প্রকল্প চালুর তারিখ নিয়ে কিছু ভুল ধারণা প্রচার হয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular