Bangla24x7 Desk: Inter Caste Marriage Scheme : বিয়ে করলেই ৩০ হাজার টাকা অনুদান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। জীবনে বিয়ে করার ইচ্ছা বা স্বপ্ন আমাদের সকলেরই থাকে। তবে বিয়ে করতে বা সমগ্র অনুষ্ঠানের জন্য তো একটা অঙ্কের টাকার প্রয়োজন। সেটা যার যেমন সামর্থ্য সেই অনুযায়ী তো বটেই – তবে জানেন তো এবার বিয়ে করলেই কড়কড়ে ৩০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। আজ্ঞে হ্যাঁ! তবে এতে এতটা আনন্দিত হওয়ার কোন কারণ নেই। এর জন্য রয়েছে বেশ কিছু নিয়ম, সেগুলি মেনে চললেই আপনি এই প্রকল্পে আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। জানা যাচ্ছে, ‘ইন্টার কাস্ট ম্যারেজ স্কিম’ প্রকল্পের আওতায় ভিন্ন জাতের মধ্যে বিয়ে হলে এবার নবদম্পতিকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা করা হবে।
বিবাহের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট , জন্মের প্রমাণপত্র হিসেবে বার্থ সার্টিফিকেট বা মাধ্যমিকের মার্কশিট থাকা বাধ্যতামূলক। জয়েন্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে পাসবুকের প্রথম পাতার জেরক্স, ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসেবে ভোটার আইডি কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা পাসপোর্ট লাগবে। বিয়ে আমাদের সমাজে অতি প্রাচীন একটি সামাজিক রীতি। তবে সমাজের ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে সেই বৈবাহিক নিয়ম ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে জানেন তো , বিয়ের ক্ষেত্রে বর্ণবৈষম্য ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুতর সমস্যা। বর্ণবৈষম্যের কারনে অনেক প্রেমিক যুগলের সংসার বাঁধার জন্য স্বপ্নমাধুরী অধরাই থেকে যায়। সাহসী সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোই লক্ষ্য, বর্ণ ভেদাভেদের বিরুদ্ধে এবার বিরাট পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। ভিন্ন জাতে বৈবাহিক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হলে ৩০ হাজার টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত এককালীন অনুদান দেওয়া হবে। তবে টাকা পাবেন ঠিকই , আপানার টাকা সঠিক কাজে ব্যবহার হচ্ছে কিনা তার উপর কড়া নজর রাখবে লোকাল সেলফ গভর্মেন্ট ইনস্টিটিউশন।
Inter Caste Marriage Scheme : বিয়ে করলেই ৩০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের!
Read More: PM Mudra Yojana : কেন্দ্রের তরফে যুব সমাজকে ১০ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা
এবার আসা যাক , কীভাবে করবেন আবেদন ? আবেদন করার ক্ষেত্রে নিয়মাবলী কি আছে ? প্রথমত , দম্পতির অবশ্যই জয়েন্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে, যেখানে স্ত্রীর নাম প্রথমে থাকবে। দ্বিতীয়ত , এটি হতে হবে দুজনের প্রথম বিবাহ। অর্থাৎ, কোন দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে এই সুবিধা কার্যকরী হবে না। তৃতীয়ত, বিয়ের ১ বছরের মধ্যেই আবেদন করতে হবে। চতুর্থত, দাম্পত্যের সম্মিলিত বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে হবে। পঞ্চমত , বিয়ে হতে হবে ১৯৫৫ সালের হিন্দু বিবাহ আইনের আওতায়। ষষ্ঠত, স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে একজনকে তপশিলি জাতিভুক্ত এবং অন্যজনকে সাধারণ শ্রেণির হতে হবে। আবেদনের ক্ষেত্রে যদি চাকরি করেন তাহলে স্যালারি স্লিপ সহ পরিবারের বার্ষিক আয়ের সার্টিফিকেট থাকতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুজনের পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি সহ কাস্ট সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক।
প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে :ইন্টার কাস্ট ম্যারেজ স্কিম
