Bangla24x7 Desk : Chokher Alo Scheme : পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক নাগরিকদের নিঃশুল্ক চক্ষু চিকিৎসা। “চোখের আলো” নামে এই প্রকল্প চালু করা হয় ৫ জানুয়ারি ২০২১-তে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে। চোখের আলোর প্রধান লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক নাগরিকদের নিঃশুল্ক চক্ষু চিকিৎসা নিশ্চিত করা। শিশু, ছাত্র-ছাত্রী, প্রাপ্তবয়স্ক, প্রবীণ এবং দরিদ্র ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষদের জন্য নিঃশুল্ক চক্ষু-পরীক্ষা, চিকিৎসা, দরকারে ছানি অপারেশন এবং বিনামূল্যে চশমা নিশ্চিত করা। স্কুল-ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সরকারি স্কুলগুলোর মাধ্যমে নিয়মিত চোখ পরীক্ষা হবে, প্রয়োজনে বিনামূল্যে চশমা পাওয়া যাবে। বয়স্ক বা প্রবীণ ব্যক্তিরা বিশেষ করে ৬০ বছর এবং তার বেশি বয়সীদের ছানি অপারেশন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বিনামূল্যে। দরিদ্র ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা, অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের শিশু এবং সাধারণ মানুষ যাদের অর্থনৈতিক কারণে স্বাস্থ্য-সেবা পাওয়া কঠিন — তারা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সুবিধা পান।
চোখের আলো প্রকল্পের আওতায় নিচের সুবিধাগুলো পাওয়া যায়। বিনামূল্যে চোখের যে কোনও বয়সের — শিশু, স্কুল ছাত্র-ছাত্রী, যুবক, প্রাপ্তবয়স্ক, প্রবীণ — মূলত রাজ্যের যে কোনো বাসিন্দা “চোখের আলো” থেকে সুবিধা পেতে পারেন। পরীক্ষা — গ্রামে বা সরকারি স্কুল / অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রে। প্রয়োজন অনুযায়ী ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য বিনামূল্যে ছানি অপারেশন। দরিদ্রদের জন্য বিনামূল্যে চশমা প্রযোজ্য। স্কুল পড়ুয়া ও শিশুদের জন্য চোখ পরীক্ষা ও চশমার ব্যবস্থা। প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল আগামী ৫ বছরে (২০২১–২০২৫) মোট ২০ লক্ষ (২ মিলিয়ন) ছানি অপারেশন করা। এছাড়া প্রায় ৮.২৫ লক্ষ বয়স্কদের বিনামূল্যে চশমা দেওয়া হবে। স্কুল ছাত্র ও অন্যান্যদের জন্য চোখ পরীক্ষা ও চশমার সুযোগ। বর্তমানে আবেদন অনলাইনে নয় — যদি আপনি সুবিধা নিতে চান, তাহলে আপনার নিকটস্থ পঞ্চায়েত, পুরসভা বা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র (গ্রাম/শহর)-এ গিয়ে “চোখের আলো” শিবির বা ক্যাম্প-এ যোগাযোগ করতে হবে।
Chokher Alo Scheme : পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক নাগরিকদের নিঃশুল্ক চক্ষু চিকিৎসা
Read More: Tea Makeing : চা বানানোর পর ফেলে দেওয়া চা পাতাই আপনার বাড়ির আসল উপকারী!
আবেদন করার জন্য প্রয়োজন হতে পারে — আধার কার্ড / ভোটার কার্ড / ঠিকানার প্রমাণ / পাসপোর্ট মাপের ছবি / মোবাইল নম্বর ইত্যাদি। এটি সবাই জন্য — দরিদ্র, প্রান্তিক, চাইল্ড, বয়স্ক, স্কুল পড়ুয়া — অর্থনৈতিক বা আর্থিক যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্য নেই। যদিও লক্ষ্য ছিল ব্যাপক, তবে সব জেলা-জেলায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। কিছু জেলায় ছানি অপারেশনের সংখ্যা মাত্র ৫০% বা কম, যা নিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর উদ্বিগ্ন। অর্থাৎ, সুবিধা না পাওয়া বা ধাপে ধাপে পৌঁছাতে দেরি হওয়ার মতো কিছু বাস্তব সমস্যা রয়েছে।
